শিরোনাম :
চট্টগ্রামের পটিয়াতে ৫টি বৌদ্ধ বসত বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই প্রকাশ হলো Fagun Bangla Films এর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘লাভ স্টোরী’ রাধা কৃষ্ণ রুপে ‘শ্যাম পিরিতে’ গানে প্রীতম খান ও প্রিয়াঙ্কা পুলিশ সদস্যদের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর-৩ এর আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত ঈদের একক নাটক ‘‘চলো পালাই” তোমাতেই আমি ফাহমিদা আক্তার প্রমি কষ্ট কাহন কাজী রফিক কালাম বিএফডিসিতে জীবাণুনাশক টানেল স্থাপন করেছে শিল্পী সমিতি রাসেল এর বাংলা কবিতা ‘মুক্তি’ করোনা ভাইরাস এর কারনে “চিরতরে” বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবে কর্মীরা- টুইটার করোনা ভাইরাস নিয়ে শেখ জালালের গান ‘নিজে বাচুন’ রাজিয়া সুলতানার গল্প কার প্রকাশিত হলো ‘ ক্যাসিনো ’র অফিশিয়াল পোস্টার আবারো বিএইচ আকাশের গানে মডেল হলেন সানভি খান আমার সময় লাইভ আড্ডা ‘য় শামীম জামান ও রাইসা প্রমি’র কবিতা ” অনেক সময় পর “ পুলিশকে উৎসর্গ সনি-শাকিবার ” তোলপাড় ” প্রেয়সী (তালাত মাহমুদ) তালাত মাহমুদের করোনা ভাইরাস আমরা যদি সচেতন হই বিজয় আমাদের হবেই: প্রিয়াঙ্কা জামান করোনায় আক্রান্ত ৮০ শতাংশ রোগীর চিকিৎসার দরকার নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রমির “ওদের প্রতি ধিক্কার” বাংলাদেশের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু কথা! ফাহমিদা আক্তার প্রমি’র “তোমার ইচ্ছে” অভিনয়ের পাশাপাশি নায়িকাদের সে’ক্স অ্যাপিল এবং ফি’গারও জরুরি: অনিন্দিতা ফিরে এলো বৈশাখ… প্রধানমন্ত্রীর ৪ পরিকল্পনা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ফেসবুক আনলো নোটিফিকেশনে কোয়াইট মোড! ফরিদুল হাসানের তারকাবহুল ধারাবাহিক ‘বাউন্ডুলে’ কোভিড-১৯ সর্বশেষ আপডেট (ভিডিও) ঘরবন্দি শাহনূর, বাজার পাঠালো শিল্পী সমিতি অসচ্ছল মানুষের পাশে নাজমুল ইসলাম শেষপর্যন্ত রাস্তায় জন্ম নিলো নবজাতক শিশু কতো জন আক্রান্ত কোন কোন জেলায়? লোকগানকে সারা বিশ্বের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই: সুজন চক্রবর্তী ম্যাজিক বাউলিয়ানা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২১ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে কোরোনা লাইভ আপডেট

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪

বাংলাদেশের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু কথা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : / ৫৬০ বার পড়া হয়েছে :
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
ছবি গুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর আইসোলেশন রুমের ছবি। এখানে অর্ধেক মানুষ ছিলো। বাকি অর্ধেক চলে গেসিলো। তারা করনা টেস্ট করাইতে আসা রোগীদের জায়গা দিতে পারে না বসার, একসাথে গাদাগাদি করে বসেছিলো সবাই!
ছবি গুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর আইসোলেশন রুমের ছবি- sangbaddaily

আজ থেকে ৪দিন আগে আমার আব্বুর কোভিড-১৯ এর টেস্ট রিপোর্ট আসে, সেখানে রিপোর্ট পজিটিভ আসে!

ফ্যামিলির সবাই অনেকটা ভেঙে পড়লেও আব্বু শক্তই ছিলো।একজন মুক্তিযোদ্ধা তাই আরো বেশি শক্ত থাকাটাই মানায়। আব্বুর রিপোর্ট দেওয়ার ১দিনের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে যায়, এলাকার মানুষ অনেক ভয় পেয়ে যায় এবং আমাদেরকে রীতিমতো আটকিয়ে রাখতে চায়। এলাকা লকডাউন দেওয়া হয়।

তবে কিছু বড় ভাই,মামারা আমাদেরকে অনেক সাহায্য করেন।

বাড়িওয়ালা আমাদের সকলের টেস্ট করতে বলেন,
আব্বুকে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়ে আমরাও টেস্ট করার জন্য সেদিনই বের হই। আমরা আইইডিসিয়ার এ ফোন দিলে তারা বলে ২দিনের মধ্যে যদি তারা না আসে তাহলে আমাদের নিজেদের গিয়েই টেস্ট করতে! আমরা অপেক্ষা করি না, কারন অপেক্ষা করার সময় ছিলোনা! তাই নিজেরাই বের হই!

দিনটি ছিলো শুক্রবার (১০.০৪.২০২০) আমরা প্রথমে যাই পি.জি হাসপাতালে, সেখানে শুক্রবার থাকায় নাকি বন্ধ, জিগ্যেস করলাম করনা পরীক্ষা হয় কিনা বললো “শুক্রবার দেখে বন্ধ”

তারপর গেলাম আইইডিসিয়ার(IEDCR) এ, সেখানেও বন্ধ।

কিন্তু এর কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী এক প্রেস কনফারেন্সে বলেন কোনো বন্ধ থাকবেনা, মহামারী এর জন্য সব খোলা রাখতে হবে!

যাই হোক, তার পর আমরা আসি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, সেখানে এসে আমরা যথানিয়মে টিকেট নেই, তারপর দেখি করনা টেস্ট এর জন্য লাইন লেগে আছে! ভালো কথা আমরাও যাই, দূরত্ব মেইনটেইন করে সেখানেই দাড়াই।
একটু পর শুনলাম আজগুবি কথা, মেডিকেল স্টাফ কোনো রোগীকে ভিতরে যেতে দিচ্ছে না, শুধু মাত্র রোগীর সাথে কেউ থাকলে যেতে দিবে তা নাহলে রোগীকে ডাঃ দেখবে না!
ডাঃ খুবই ভালো আর প্রটেকটিভ ড্রেস আপ ছিলো তাও এতো ভয়।
তারপর আমাদের আব্বুর যে করনা হয়েছে সেটা বিশ্বাস করেনি আমরা যেভাবেই হোক প্রমান দেখিয়ে করনা টেস্ট এর অনুমতি পাই!
আমরা আইসোলেশন রুমে যাবো আরেকজন লোক(সেখানেই কর্মরত) এসে বলতেছে“ আজকে আর টেস্ট হবে না, যদি করতে চান আজকে রাতে এখানে থাকেন পরে কালকে সকালে হইলে হইতেও পারে”
শুনে আমরা চলে আসি,কারন এক রাত আইসোলেশন রুমে অন্য রোগীদের সাথে থাকা সম্ভব না!

আমাদের বলা হয় পরেরদিন ১০টায় টেস্ট, তাই কথা মতো, আমি, আমার ভাইয়া,আমার অসুস্থ আম্মু সকাল ১০টায় উপস্থিত হই!

কিন্তু সকাল থেকেই তারা বলে একটু পর মেডিকেল স্টাফ আসবে, আমরাও অপেক্ষা করতে থাকি!
দুপুর ১টার পর আমাদের লাঞ্চ দেওয়া হয় (খাওয়ার অযোগ্য)
তাই আমরা না খেয়ে রেখে দেই! (খাবার নিয়ে সমস্যা নেই কোনো)
আমরা অপেক্ষা করতেই থাকি….

৩টায় একদল মেডিকেল স্টাফ(টেকনোলজিস্ট) এসে তাদের ইচ্ছা মতো কোনো সিরিয়াল মেইনটেইন না করেই কয়েকজন রোগীর স্যাম্পল নিয়ে যায়( যারা আগে এসেছে তাদের মধ্যে আমাদের পজিশন ৩য় ছিলো)

আমাদের বলে ৩০মিন এ আসবে, কিন্তু আসে না! আমরা অপেক্ষা করতেই থাকি, এই অসুস্থ মা কে নিয়ে অনেক গুলা অসুস্থ মানুষের মাঝে!

মাঝে অনেক কাহিনী করে, অনেক বাজে ব্যবহার করে আমাদের সাথে, তারপর ৭টায় স্যাম্পল নেয়! এই স্যাম্পল নেওয়ার জন্য সকালে একটা টেকনোলজিস্ট আমাদের একটা কাগজ নিয়ে যায়, অন্য টেকনোলজিস্ট এসে আবার সেই কাগজই চায়। সেই কাগজ আমাদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে নিয়ে নেওয়া হয় তাই আমরা দিতে পারি বলে আমাদের টেস্ট করবেনা বলে জানায়, পরে বলে নতুন কাগজ বানায় নিয়ে আসতে, এবং আমরা তাই ই করি!তারপর আমাদের টেস্ট করা হয়! হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা

এর আগের প্রায় ৯ ঘন্টাই বিভিন্ন রোগীদের সাথে আমরা ছিলাম!
পরের দিন রিপোর্ট দেওয়ার কথা, ভাইয়া সকালেই সেখানে চলে যায়, তারা ভাইয়াকে অপেক্ষা অপেক্ষা বলে বিকালে এসে জানায় যে রিপোর্ট পরের দিন দিবে!

রাতে ভাইয়া কে ফোন করে জানায় যে আম্মুও কোভিড-১৯ পজিটিভ আসছে, আমরা আজকেও যথারীতি, আম্মুকে নিয়ে যাই! আমাদের বসায় রেখে ভাইয়া রিপোর্ট আনতে যায়!

কিছুক্ষন পর শুধু আম্মুর রিপোর্ট হাতে ভাইয়া ফিরে আসে,আমাদের রিপোর্ট নাকি তারা পায় না। ভাইয়া আবার যায়!

ভাইয়া চলে যাওয়ার পর একটা মেডিকেল স্টাফ এসে আমাদের সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে যে কেন আমি একজন রোগী কে নিয়ে বসে আছি আমরা নাকি তাদের পরিবেশ নষ্ট করতেছিলাম,যাই হোক আমি বলি আমাদের বসার জায়গা দিতে, উনি বলে এখানে আমাদের জন্য বসার জায়গা নাই, আমি বলি এমবুলেন্স রেডি করে দিতে বললে সে  বলে পারবেনা, এগুলা তাদের কাজ না!
আমাকে ও আমার অসুস্থ আম্মুকে রোদ এর মাঝে সেখান থেকে বের করে দেয়!
তারপর আমি আম্মু কে নিয়ে সি.এন.জি তে করে আব্বু যেখানে সেই হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়ে দেই! হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা

আম্মুর যথেষ্ট প্রটেকশন ছিলো! মুখে ডাবল মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাবস,একটু পর পর হ্যাক্সোনিল দেওয়া ইত্যাদি!

তবুও তারা খারাপ ব্যাবহার করে। আম্মুকে দিয়ে আমি আবার ঢাকা মেডিকেল চলে আসি।

এসে শুনি আমাদের রিপোর্ট দেয় নাই,ভাইয়া আমাকে বলে বাহিরে অপেক্ষা করতে, তাই আমি অপেক্ষা করতে থাকি শহীদ মিনারের সামনে খালি যায়গায় বসে। সেখান ৪ ঘন্টা ছিলাম।
এই ৪ ঘন্টা তারা ভাইয়াকে ঘুরায়, এই রুম থেলে সেই রুম, তারা রিপোর্ট দিতে পারে না।

অবশেষে ৫টায় বলে দেয় রিপোর্ট নাই 
তারা খুজে পাচ্ছে না!

এটা কোন নরমাল ব্লাড টেস্ট না যে রিপোর্ট হারাইলেও প্রব্লেম নাই।
বাংলাদেশ এর মানুষের কাছে এর থেকে বেশি কি আশা করা যায়?
এরকম যদি চিকিৎসা ব্যবস্থা হয়, তাহলে লাগবেনা চিকিৎসা!
মরতে দিন!
যেই কষ্ট ২দিনে দিয়েছেন ভাই
আল্লাহ আছে উপরে!
এমন দেশে কিভাবে করনা প্রতিরোধ, প্রতিকার হবে আল্লাহ ভালো জানে।

এগুলা (হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা) কখনোই প্রধানমন্ত্রীর কানে যাবে না!

অন্যান্য দেশ এ আক্রান্ত রোগীর বাসায় যেয়ে টেস্ট করানো হয়, আমাদের দেশ এ রোগী নিজে গেলেও চিকিৎসা পায় না। বিলাসিতা

ছবি গুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর আইসোলেশন রুমের ছবি।
এখানে অর্ধেক মানুষ ছিলো।
বাকি অর্ধেক চলে গেসিলো।
তারা করনা টেস্ট করাইতে আসা রোগীদের জায়গা দিতে পারে না বসার, একসাথে গাদাগাদি করে বসেছিলো সবাই! হায়রে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা

ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত।


আরও সংবাদ :